অধ্যায়ভিত্তিক প্রশ্নোত্তর:[৬ষ্ঠ অধ্যায়- ২য় অংশ]

Submitted by administrator on Sun, 07/22/2012 - 20:06

বায়ুর উচ্চচাপ ও নিম্নচাপ বলতে কী বোঝায় ?

বায়ুচাপকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা হয়:- ১) উচ্চচাপ ও ২) নিম্নচাপ । উচ্চচাপ বা নিম্নচাপ বলতে বায়ুর কোনো নির্দিষ্ট চাপ বোঝায় না, কারণ উচ্চচাপ বা নিম্নচাপের ধারণাটি তুলনামূলক ।

যখন ব্যারোমিটার যন্ত্রে বায়ুচাপ প্রায় ১,০১৩ মিলিবার বা তার বেশি তখন বায়ুমণ্ডলের সেই অবস্থাকে উচ্চচাপ বোঝায় । অন্যদিকে যখন ব্যারোমিটার যন্ত্রে বায়ুচাপ থাকে ৯৮৬ মিলিবার বা তার কম তখন বায়ুমণ্ডলের সেই অবস্থাকে নিম্নচাপ বোঝায়, । উচ্চচাপ অঞ্চল থেকে বায়ু সর্বদা নিম্নচাপ অঞ্চলের দিকে প্রবাহিত হয় ।

আবহাওয়া ও জলবায়ুর উপাদান হিসেবে উষ্ণতার গুরুত্ব:-

আবহাওয়া ও জলবায়ুর উপাদান হিসেবে উষ্ণতার গুরুত্ব অপরিসীম । উষ্ণতার ওপরেই আবহাওয়া ও জলবায়ুর অন্যান্য উপাদান যেমন:- বায়ুচাপ, বায়ুপ্রবাহ, আর্দ্রতা, বৃষ্টিপাত প্রভৃতি প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে নির্ভর করে । উষ্ণতার তারতম্যে আবহাওয়া ও জলবায়ুর বিভিন্ন উপাদানগুলোর যথেষ্ট তারতম্য লক্ষ করা যায়, যেমন:-

১) বায়ুর উষ্ণতা ও বায়ুর চাপ:- বায়ুর উষ্ণতা কমে গেলে বায়ু সংকুচিত হয় এবং বায়ুর চাপ বেড়ে যায় । আবার উষ্ণতা বেড়ে গেলে বায়ু আয়তনে প্রসারিত হয় এবং বায়ুচাপ কমে যায় । কাজেই, উষ্ণতার সঙ্গে বায়ুচাপ বিপরীত অনুপাতে পরিবর্তিত হয়, অর্থাৎ উষ্ণতা কমলে বায়ুচাপ বাড়ে এবং উষ্ণতা বাড়লে বায়ু চাপ কমে ।

২) বায়ুর উষ্ণতা ও বায়ুপ্রবাহ:- বায়ুর উষ্ণতার সঙ্গে বায়ুচাপের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে । ভুপৃষ্ঠের বিভিন্ন অংশে বায়ুচাপের তারতম্যের ফলেই বায়ুপ্রবাহের সৃষ্টি হয় । যেখানে বায়ুর চাপ বেশি সেখান থেকে যেখানে বায়ুর চাপ কম, বায়ু সেদিকেই প্রবাহিত প্রবাহিত হয় । এইভাবে উচ্চচাপ অঞ্চল থেকে নিম্নচাপ অঞ্চলের দিকে বায়ু ধাবিত হলে বায়ুপ্রবাহের সৃষ্টি হয় । বায়ুচাপ উষ্ণতার ওপর নির্ভর করে, তাই বায়ুপ্রবাহও উষ্ণতার ওপর নির্ভরশীল ।

৩) বায়ুর উষ্ণতা ও আর্দ্রতা:- উষ্ণতা বেড়ে গেলে বায়ুর জলীয়বাষ্প ধারণ ক্ষমতা বা আর্দ্রতা বাড়ে, আবার, উষ্ণতা কমে গেলে বায়ুর জলীয়বাষ্প ধারণের ক্ষমতা কমে যায় । অতএব বায়ুর জলীয় বাষ্প ধারণের ক্ষমতা বা আর্দ্রতা, বায়ুর উষ্ণতার ওপর নির্ভরশীল ।

৪) বায়ুর উষ্ণতা ও বৃষ্টিপাত:- উচ্চচাপ অঞ্চল (শীতল অঞ্চল) থেকে নিম্নচাপ অঞ্চলের (উষ্ণ অঞ্চল) দিকে প্রবাহিত হওয়ার সময় বায়ুপ্রবাহের গতিপথে সাগর বা মহাসাগর থাকলে ওই বায়ু প্রচুর পরিমাণে জলীয়বাষ্প গ্রহণ করে । বায়ু যতই উষ্ণ অঞ্চলের দিকে যেতে শুরু করে ততই তার জলীয়বাষ্প ধারণ ক্ষমতা বেড়ে যেতে থাকে । জলীয়বাষ্প বিশুদ্ধ বায়ুর তুলনায় হালকা হওয়ায় জলীয় বাষ্পপূর্ণ সম্পৃক্ত বা পরিপৃক্ত বায়ু ও হালকা হয়ে উপরে উঠে যেতে থাকে এবং উপরের শীতল বায়ুস্তরের প্রভাবে শীতল ও ঘনীভূত হয়ে বৃষ্টিপাত ঘটায় । এজন্য বায়ুর উষ্ণতার সঙ্গে বৃষ্টিপাত অঙ্গাঙ্গীভাবে সম্পর্কযুক্ত ।

ভূপৃষ্ঠের বায়ুচাপ বলয়গুলির সঙ্গে নিয়ত বায়ুপ্রবাহের সম্পর্ক :-

বায়ুচাপের পার্থক্যই নিয়ত বায়ুপ্রাহের প্রধান কারণ । যেখানে বায়ুর চাপ বেশি, সেখান থেকে যে দিকে বায়ুর চাপ কম, সেদিকেই বায়ু প্রবাহিত হয় । এই নিয়ম মেনে পৃথিবীর চারটি স্থায়ী উচ্চচাপ বলয় থেকে ৩টি স্থায়ী নিম্নচাপ বলয়ের দিকে সারা বছর ধরে নিয়মিতভাবে ও নির্দিষ্ট গতিতে প্রবাহিত বায়ুই হল নিয়ত বায়ুপ্রবাহ । নিয়ত বায়ুপ্রবাহ তিন রকমের, যথা:- আয়ন বায়ু, পশ্চিমাবায়ু ও মেরুবায়ু ।

১) আয়ন বায়ুর সঙ্গে বায়ুচাপ বলয়ের সম্পর্ক:-

ক) উত্তর গোলার্ধে কর্কটীয় উচ্চচাপ বলয় এবং দক্ষিণ গোলার্ধে মকরীয় উচ্চচাপ বলয় থেকে নিরক্ষীয় নিম্নচাপ বলয়ের দিকে সারা বছর ধরে আয়ন বায়ু প্রবাহিত হতে থাকে ।

খ) মোটামুটিভাবে ৩০০ থেকে ৫০ উত্তর ও দক্ষিণ অক্ষরেখার মধ্যে আয়নবায়ু প্রবাহিত হয় । ফেরেল সূত্র অনুসারে উত্তর গোলার্ধে এই বায়ুপ্রবাহ ডান দিকে কিছুটা বেঁকে উত্তর-পূর্ব দিক থেকে ছুটে আসে ।

গ) উত্তর-পূর্ব দিক থেকে আসে বলে উত্তর গোলার্ধে এই বায়ুপ্রবাহের নাম উত্তর-পূর্ব আয়ন বায়ু

ঘ) দক্ষিন গোলার্ধে আয়নবায়ু ফেরেল সূত্র অনুসারে খানিকটা বাঁ দিকে বেঁকে দক্ষিন-পূর্ব দিক থেকে ছুটে আসে । দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে আসে বলে দক্ষিণ গোলার্ধে এই বায়ুপ্রবাহের নাম দক্ষিন-পূর্ব আয়ণ বায়ু

ঙ) নিরক্ষরেখা নিকটবর্তী নিরক্ষীয় ক্রান্তীবলয় অঞ্চলে ৫০ উত্তর অক্ষাংহ থেকে ৫০ দক্ষিণ অক্ষাংশ পর্যন্ত স্থানে উত্তর-পূর্ব ও দক্ষিন-পূর্ব আয়ণ বায়ু মিলিত হয় বলে ওই অঞ্চলে কোনো বায়ুপ্রবাহ থাকে না ।

২) পশ্চিমাবায়ুর সঙ্গে বায়ুচাপ বলয়ের সম্পর্ক:- পশ্চিমাবায়ু উভয় গোলার্ধে সাধারণত ৩০০ থেকে ৬০০ অক্ষরেখার মধ্যে ক্রান্তীয় উচ্চচাপ বলয় থেকে মেরুবৃত্ত প্রদেশীয় নিম্নচাপ বলয়ের দিকে সারা বছর ধরে প্রবাহিত হয় । এই বায়ু ফেরেল সূত্র মেনে উত্তর গোলার্ধে ডান দিকে বেঁকে দক্ষিণ-পশ্চিম পশ্চিমাবায়ু হিসেবে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে বাঁ দিকে বেঁকে উত্তর-পশ্চিম পশ্চিমাবায়ু হিসাবে প্রবাহিত হয় ।

৩) মেরুবায়ুর সঙ্গে বায়ুচাপ বলয়ের সম্পর্ক:- মেরুবায়ু সাধারণত উভয় গোলার্ধে মোটা মুটি ৭০০ থেকে ৮০০ অক্ষরেখার মধ্যে মেরুদেশীয় উচ্চচাপ বলয় থেকে মেরুবৃত্তপ্রদেশীয় নিম্নচাপ বলয়ের দিকে সারা বছর ধরে প্রবাহিত হয় । এই বায়ু উত্তর গোলার্ধে উত্তর-পূর্ব মেরুবায়ু এবং দক্ষিণ গোলার্ধে দক্ষিণ-পূর্ব মেরুবায়ু নামে প্রবাহিত হয় ।

আয়নবায়ু ও পশ্চিমাবায়ুর মধ্যে পার্থক্য

আয়নবায়ু

পশ্চিমাবায়ু

১) এটি উষ্ণ মণ্ডলের নিয়ত বায়ুপ্রবাহ ।

১) এটি নাতিশীতোষ্ণ মণ্ডলের নিয়ত বায়ুপ্রবাহ ।

২) আয়নবায়ু উত্তর গোলার্ধে কর্কটীয় উচ্চচাপ বলয় থেকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে মকরীয় উচ্চচাপ বলয় থেকে নিরক্ষীয় নিম্নচাপ বলয়ের দিকে প্রবাহিত হয় ।

২) পশ্চিমাবায়ু উত্তর গোলার্ধে ক্রান্তীয় উচ্চচাপ বলয় থেকে সুমেরবৃত্ত প্রদেশীয় নিম্নচাপ বলয়ের দিকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে মকরীয় উচ্চচাপ বলয় থেকে কুমেরুবৃত্ত প্রদেশীয় নিম্নচাপ বলয়ের দিকে প্রবাহিত হয় ।

৩) আয়নবায়ু কিছুটা পূর্ব থেকে পশ্চিম দিকে প্রবাহিত হয় ।

৩) পশ্চিমাবায়ু কিছুটা পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয় ।

৪) আয়নবায়ুর প্রভাবে খুব কম বৃষ্টিপাত হয় ।

৪) পশ্চিমাবায়ুর প্রভাবে অপেক্ষাকৃত বেশি বৃষ্টিপাত হয় ।

৫) আয়নবায়ুর প্রভাবে যতটুকু বৃষ্টিপাত হয় তা মহাদেশের পূর্বভাগে সীমাবদ্ধ থাকায় এই বায়ুর গতিপথে মহাদেশের পশ্চিমভাগে বড়ো বড়ো ক্রান্তীয় মরুভূমির সৃষ্টী হয়েছে ।

৫) পশ্চিমাবায়ুর প্রভাবে মহাদেশের পশ্চিমভাগে প্রবল বৃষ্টিপাত হয় এবং পূর্বভাগে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ বেশ কমে যায় । তাই পশ্চিমাবায়ুর গতিপথে মহাদেশের পূর্বভাগে নাতিশীতোষ্ণ তৃণভূমির সৃষ্টি হয়েছে ।

৬) আয়নবায়ুর গতিবেগ পশ্চিমাবায়ুর তুলনায় কম ।

৬) পশ্চিমাবায়ুর গতিবেগ আয়নবায়ু তুলনায় বেশি ।

নিরক্ষীয় অঞ্চলে পরিচলন বৃষ্টিপাত বেশি হওয়ার কারণ কী ?

১) নিরক্ষরেখার উভয় পাশে ৫০ - ১০০ উত্তর ও দক্ষিণ অক্ষাংশের মধ্যে সূর্য প্রায় সারা বছর ধরে লম্বভাবে প্রখর কিরণ দেয় ।

২) নিরক্ষীয় অঞ্চলে স্থলভাগের তুলনায় জলভাগের বিস্তৃতি তুলনামূলক ভাবে অনেক বেশি এবং এই অঞ্চলে সারাবছর ধরে প্রায় লম্বভাবে সূর্যকিরণ পড়ে ফলে এখানে বায়ুমণ্ডলের উষ্ণতাও বেশি । তাছাড়া এই অঞ্চলে বায়ুর সমান্তরাল প্রবাহ নেই বললেই চলে । প্রচন্ড উত্তাপের জন্য নিরক্ষীয় অঞ্চলের সমুদ্রের বিপুল জলরাশি বাষ্পিভূত হয়ে দ্রুত উপরে উঠে যায় । উপরের বায়ুমণ্ডলের প্রবল শৈত্যের সংস্পর্শে এলে বাষ্পীভূত ওই আর্দ্রবায়ু আর জলীয়বাষ্প ধরে রাখতে পারে না এবং তখন তা পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ শক্তির প্রভাবে বৃষ্টিরূপে ভূপৃষ্ঠে পতিত । এই বিশেষ অনুকূল পরিবেশের জন্যই নিরক্ষীয় অঞ্চলে পৃথিবীর অন্যান্য অঞ্চল থেকে বেশি পরিচলন বৃষ্টিপাত হয় ।

৩) নিরক্ষীয় অঞ্চলের বায়ুমণ্ডলে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ বেশি থাকায় এই অঞ্চলে সারা বছর ধরে প্রায় প্রতিদিনই পরিচলন বৃষ্টিপাত হয় । প্রধানত বিকেলের দিকে বজ্রবিদ্যুৎসহ প্রবল বৃষ্টিপাত হল পরিচলন বৃষ্টিপাতের প্রধান বৈশিষ্ট্য ।

নিরক্ষীয় অঞ্চলে প্রধানত বিকেলের দিকে পরিচলন বৃষ্টিপাত হয়:- নিরক্ষীয় অঞ্চলের বায়ুমণ্ডলে সারা বছর ধরেই জলীয়বাষ্পের পরিমাণ বেশি থাকায় এই অঞ্চলে সারা বছর ধরে প্রায় প্রতিদিনই পরিচলন বৃষ্টিপাত হয় । সারাদিন বাষ্পীভবনের ফলে এবং দুপুরের পর থেকে বায়ুমণ্ডলের দ্রুত তাপমাত্রা হ্রাসের ফলে বিকেলের দিকে বাতাসের আপেক্ষিক আদ্রতাও বাড়তে থাকে ও বিকেলে বায়ুর জলীয়বাষ্প ধারণ করার ক্ষমতাও কমতে থাকে । এই জন্য নিরক্ষীয় অঞ্চলে প্রধানত বিকেলের দিকে বজ্রবিদ্যুৎসহ প্রবল বৃষ্টিপাত হল পরিচলন বৃষ্টিপাতের প্রধান বৈশিষ্ট্য ।

পশ্চিমঘাট পর্বতের পশ্চিমঢালে শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টিপাত ঘটে কেন ?

১) দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু যখন আরব সাগরের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয় তখন প্রচুর পরিমাণে জলীয় বাষ্প সংগ্রহ করে বায়ু জলীয়বাষ্পপূর্ণ হয় ।

২) জলীয়বাষ্পপূর্ণ ওই বায়ু ভূপৃষ্ঠের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার সময় পশ্চিমঘাট পর্বতে বাধা পেয়ে ওই পর্বতের গা বেয়ে ওপরে উঠে এবং সেখানে বায়ুচাপ কম হওয়ায় প্রসারিত ও শীতল হয়ে পড়ে ।

৩) এর ফলে ওই বায়ুতে থাকা জলীয়বাষ্প ঘনীভূত হয়ে পশ্চিমঘাট পর্বতের বায়ুমুখী ঢাল (প্রতিবাত ঢাল) বা পশ্চিমঢালে শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টিপাত ঘটায় ।

***

Related Items

অধ্যায়ভিত্তিক প্রশ্নোত্তর:[৬ষ্ঠ অধ্যায়- ১ম অংশ]

ক্রান্তীয় অঞ্চলে আয়নবায়ুর গতিপথে পৃথিবীর বড়ো বড়ো উষ্ণ মরুভূমিগুলো অবস্থিত কারণ কি ?

অধ্যায়ভিত্তিক প্রশ্নোত্তর:[৫য় অধ্যায়- ২য় অংশ]

অক্ষাংশ ও উচ্চতাভেদে পৃথিবীপৃষ্ঠে উষ্ণতার তারতম্যের কারণ ব্যাখ্যা করো

ভূপৃষ্ঠের সব স্থানে এবং সব সময়ে বায়ুমণ্ডলের উষ্ণতা একই রকম থাকে না । অক্ষাংশ ও উচ্চতা ভেদে পৃথিবীপৃষ্ঠে উষ্ণতার তারতম্য ঘটে, যেমনঃ

ছোটো প্রশ্ন ও উত্তর:[প্রথম অধ্যায়]

ছোটো প্রশ্ন ও উত্তর:- পৃথিবীর বিভিন্ন ভূমিরূপ —পর্বত, মালভূমি ও সমভূমি

প্রশ্ন:- ভঙ্গিল পর্বত বা ভাঁজ পর্বত (Fold Mountain) সৃষ্টির প্রধান কারণ কী ?

নবম অধ্যায়ঃ এশিয়া মহাদেশের ভূপ্রকৃতি

☼ এশিয়া মহাদেশের ভূপ্রকৃতি:- পৃথিবীর বিশালতম ও জনবহুল মহাদেশ এশিয়া পৃথিবীর মোট ৩ ভাগ স্থলভাগের ১ ভাগ জুড়ে রয়েছে । এই মহাদেশের প্রায় পুরোটাই উত্তর গোলার্ধে অবস্থান করছে । প্রাকৃতিক গঠন অনুসারে এশিয়া মহাদেশকে পাঁচটি প্রধান ভু-প্রাকৃতিক অঞ্চলে [Physical Division] ভাগ করা যায়, যথা:- (১) উত্তরের বি