পৃথিবীর প্রাচীন এবং সবচেয়ে বিস্ময়জাগানি স্থাপত্যগুলোর নাম করতে গেলে প্রথমেই যে নামটি চলে আসে তা হলো- পিরামিড। আর পিরামিডের কথা মনে হলেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে ধূ-ধূ মরুভূমির এক ধূসর প্রতিচ্ছবি এবং সেখানে ঠাঁয় হয়ে দাঁড়িয়ে থাকা তিনটি পিরামিডের অদ্ভুত দৃশ্য। পিরামিডের নাম শুনলেই প্রথমেই আমাদের যে দেশের কথা মনে হয় তা হলো- মিশর। হ্যাঁ, মিশরের পিরামিডই হলো সবচেয়ে বিস্ময়জাগানিয়া স্থাপত্যগুলোর মধ্যে একটি, কিন্তু শুধু মিশর নয় বরং পৃথিবীর আরও নানা স্থানে রয়েছে আরও অনেক পিরামিড। পিরামিড সম্পর্কে যে ব্যাপারটি আজও আমাদেরকে সবচেয়ে বেশি ভাবিয়ে তোলে তা হলো এর নির্মাণ কৌশল। হাজার হাজার বছর পূর্বে কোনো প্রকার প্রাযুক্তিক জ্ঞান ছাড়াই সে যুগের মানুষরা কি করে নির্মাণ করেছিল এই বিশাল পিরামিড তা আজও এক মহা বিস্ময় হয়ে আছে। আর সে কারণেই একসময় এই মিশরের পিরামিড উঠে এসেছিল সারা বিশ্বের সপ্তাশ্চার্যের তালিকায়। কি কারণে নির্মিত হয়েছিল এই পিরামিড ? কোনো প্রকার যান্ত্রিক সুবিধা ছাড়াই কীভাবে নির্মিত হয়েছিল এই পিরামিডগুলো ? জানি, এ রকম নানা প্রশ্ন ঘোরা ফেরা করেছে আপনার মনে কিন্তু হয়তো জানা হয়নি তেমন কিছুই। চলুন তবে জানা যাক কিভাবে নির্মিত হয়েছিল এসব পিরামিড এবং কারাই তৈরি করলো বিশাল এ বিস্ময়।
পিরামিডের গঠনকৌশল নিয়ে বিতর্কের শেষ নেই। বর্তমান সময়ে এটি একটি নিয়মিত বিতর্কের বিষয়ে পরিণত হয়েছে। পিরামিড নির্মাণ পদ্ধতির কোনো নকশা বা দলিল যেহেতু আজও পাওয়া যায়নি তাই কেউই সঠিক ভাবে জানে না যে, কিভাবে নির্মিত হয়েছিল এসব পিরামিড। অবশ্য অনেক প্রত্নত্ত্ববিদ, ইতিহাসবিদ এবং ইঞ্জিনিয়াররা এ সম্পর্কে অনেক তথ্যই দিয়েছেন। চলুন তবে দেখা যাক এ সম্পর্কে তাদের ধারণা কি।
বিস্তারিত পড়তে হলে নীচের লিঙ্ক টিতে ক্লক করুন।
http://www.somewhereinblog.net/blog/biskutpagla/28852463