অধ্যায়ভিত্তিক প্রশ্নোত্তর:[ষষ্ট অধ্যায়- ১ম: অংশ]

Submitted by administrator on Wed, 03/07/2012 - 22:50

প্রশ্ন:- (১) জাতি সংঘ বা ‘লিগ অফ নেশনস্‌’ কেন প্রতিষ্ঠি হয় ? প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় জার্মানির সম্রাট কে ছিলেন ?

উত্তর: প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর আন্তর্জাতিক শান্তি রক্ষার উদ্দেশ্যে ১৯১৯ খ্রিস্টাব্দে জাতিসংঘ বা লিগ অফ নেশনস্‌ প্রতিষ্ঠা করা হয় । লিগ অফ নেশনস্‌ প্রতিষ্ঠার প্রধান উদ্দেশ্য ছিল-

১) পারস্পরিক সহযোগিতার ভিত্তিতে আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখা ।

২) আন্তর্জাতিক আইন, বিধিনিষেধ, চুক্তি সমস্ত দেশই যথাযত ভাবে মেনে চলে কি না সেদিকে লক্ষ রাখা ।

♦প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় জার্মানির সম্রাট ছিলেন কাইজার দ্বিতীয় উইলিয়াম ।

প্রশ্ন:- (৩) প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পরে ইউরোপীয় দেশগুলির অর্থনৈতিক অবস্থা কীরূপ ছিল ? ইতালিতে ও জার্মানিতে গণতন্ত্রের পতন হয় কেন ? ইতালিতে কোন দল রাজনৈতিক ক্ষমতা লাভ করে ।

উত্তর:- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপীয় দেশগুলির অর্থনৈতিক অবস্থা:

বিশ্বযুদ্ধের পরবর্তীকালে-

(১) মুদ্রাস্ফীতি,

(২) শিল্পে অচলাবস্থা,

(৩) কৃষিজাত পণ্যের মূল্য হ্রাস,

(৪) অর্থনৈতিক মন্দা,

(৫) বেকারের সংখ্যা বৃদ্ধি

প্রভৃতি কারণে ইউরোপীয় দেশগুলির অর্থনৈতিক অবস্থা প্রায় ভেঙে পড়েছিল।

ইতালি ও জার্মানিতে গণতন্ত্রে পতনের কারণ:

প্রথম বিশ্বযুদ্ধের তাৎক্ষণিক ফল ছিল গণতন্ত্রের প্রসার, কিন্তু এই ব্যবস্থাও চিরস্থায়ী হয়নি। কয়েক বছরের মধ্যেই ইউরোপের বহু দেশে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থার পতন হয় এবং একনায়কতন্ত্রী রাষ্ট্র গড়ে উঠতে থাকে। ১৯২০ খ্রিস্টাব্দে ইউরোপে ৩৫টিরও বেশি দেশে গণতান্ত্রিক সরকার ছিল, কিন্তু ১৯৩৮ সালে তা কমে ১৭টি দেশে পৌঁছায়। এই প্রসঙ্গে অধ্যাপক গ্যাথন হার্ডি লিখেছেন যে, প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপের বহু দেশে ‘গণতন্ত্রের মড়ক, দেখা দেয়- জার্মানি ও ইতালিতেও তার ব্যতিক্রম হয়নি।

প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পরবর্তী কালে

(১) নব প্রতিষ্ঠিত গণতান্ত্রিক সরকারগুলির দুর্বলতা,

(২) গণতান্ত্রিক ঐতিহ্যের অভাব,

(৩) দূরদর্শী রাষ্ট্রনেতার অভাব,

৪) অর্থনৈতিক মহামন্দা,

৫) জাতিসংঘের ব্যর্থতা,

৬) আর্থিক সংকট,

(৭) খাদ্যাভাব,

(৮) শিল্পে অবনতি, মুদ্রাস্ফীতি, বেকারি প্রভৃত আর্থ-সামাজিক সংকট,

(৯) সাধারণ মানুষের হতাশা,

(১০) রাজনৈতিক দলগুলির মধ্যে বিরোধ,

প্রভৃতি কারণের ফলে জার্মানি ও ইতালিতে গণতন্ত্রের পতন ঘটে এবং ফ্যাসিবাদী একনায়কতন্ত্রের জন্ম হয়।

♦ঐতিহাসিক গর্ডন গ্রেসের মতে, ইতালি ও জার্মানিতে গণতন্ত্রের পতন এবং ফ্যাসিস্ট দল ও নাৎসী দলের ক্ষমতা দখলের পটভূমি তৈরি করে দিয়েছিল দুটি প্রধান ঘটনা, যার একটি ছিল অর্থনৈতিক মহামন্দা এবং অপরটি হল গণতান্ত্রিক ঐতিহ্যের অভাব, এর ফলে এই দুটি দেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা আসেনি । প্রথম বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক অস্থিরতার সুযোগে ইতালিতে ফ্যাসিস্টদল জার্মানিতে নাৎসিদল দেশের শাসনক্ষমতা দখল করে নিয়েছিল, যার ফলশ্রুতিতে এই দুটি দেশে গণতন্ত্রের পতন ঘটে এবং ফ্যাসিবাদী ও নাৎসিবাদী একনায়কতন্ত্রের প্রতিষ্ঠা হয়।

♦প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পরবর্তীকালে মুসোলিনির নেতৃত্বাধীন ফ্যাসিস্ট দল ইটালিতে রাজনৈতিক ক্ষমতা লাভ করে।

প্রশ্ন:- (৪) প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপ ও ভারতে কী কী পরিবর্তন ঘটেছিল ?

উত্তর: দীর্ঘ চার বছর ধরে ধ্বংসলীলা চলার পর ১৯১৮ সালে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের অবসান ঘটে । এই যুদ্ধ ইউরোপ তথা বিশ্বের আর্থ-সামাজিক তথা রাজনৈতিক ক্ষেত্রে এক সুদূরপ্রসারী পরিবর্তনের সূচনা করে । এই পরিবর্তনগুলি হল-

♦প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপে নানা পরিবর্তন:

(১) বৃহৎ ইউরোপীয় সাম্রাজ্যেগুলির পতন এবং নতুন নতুন রাষ্ট্রের উদ্ভব: প্রথম বিশ্বযুদ্ধের ফলশ্রুতিতে ইউরোপের চারটি বড়ো সাম্রাজ্যের পতন ঘটে, যেমন: (ক) অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরি সাম্রাজ্য, (খ) তুরস্ক সাম্রাজ্য, (গ) রুশ সাম্রাজ্য ও (ঘ) জার্মান সাম্রাজ্য । ইউরোপ মহাদেশের এই সমস্ত রাষ্ট্রিয়-পুনর্গঠনের ফলে ফিনল্যান্ড, এস্তোনিয়া, লাটাভিয়া, লিথুয়ানিয়া, চেকোশ্লোভিয়া, পোল্যান্ড প্রভৃতি অনেক নতুন রাষ্ট্রের উদ্ভব হয় যার ফলে ইউরোপের মানচিত্রে বিরাট পরিবর্তন ঘটে।

(২) জাতীয়তাবাদের সাফল্য: ইউরোপের বিভিন্ন দেশে জাতীয়তাবাদের সাফল্য ছিল প্রথম বিশ্বযুদ্ধের অন্যতম সুফল । প্রথম বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তীকালে ইউরোপের যুগোশ্লাভিয়া, পোল্যান্ড, চেকোশ্লাভাকিয়া, তুরষ্ক, আয়ারল্যান্ড প্রভৃতি দেশে জাতীয়তাবাদ সাফল্য লাভ করে । বল্কান অঞ্চলে নির্যাতিত জাতীয়তাবাদের আংশিক সাফল্য ঘটে ।

(৩) গণতন্ত্রের জয়: প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পরবর্তীকালে ইউরোপ মহাদেশের জার্মানি, অস্ট্রিয়া, রাশিয়া, তুরস্ক প্রভৃতি দেশে রাজতন্ত্রের অবসান ও গণতন্ত্রের উত্থান হয় । জার্মান সম্রাট কাইজার দ্বিতীয় উইলিয়াম হল্যান্ডে পালিয়ে যান এবং জার্মানিতে ‘ভাইমার প্রজাতন্ত্র’ প্রতিষ্ঠিত হয় । তুরস্কের সুলতানকে পদচ্যুত করা হয় এবং কামাল পাশার নেতৃত্বে তুরস্কে গণপ্রজাতান্ত্রিক শাসন-ব্যবস্থা চালু হয়।

(৪) ব্রিটেন ও ফ্রান্সের প্রতিপত্তি হ্রাস: প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পরবর্তীকালে যুদ্ধ-বিদ্ধস্ত ব্রিটেন ও ফ্রান্স বিশ্বরাজনীতিতে তাদের পূর্ব প্রতিপত্তি হারিয়ে ফেললে সোভিয়েত রাশিয়া ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সেই স্থান দখল করে নেয়।

(৫) গণতন্ত্রের পতন ও একনায়কতন্ত্রের উত্থান: প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পরবর্তীকালে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা চালু হলেও

(১) গণতন্ত্রের মড়ক,

(২) নব প্রতিষ্ঠিত গণতান্ত্রিক সরকারগুলির দুর্বলতা,

(৩) গণতান্ত্রিক ঐতিহ্যের অভাব,

(৪) দূরদর্শী জনপ্রিয় রাষ্ট্রনেতার অভাব,

(৫) অর্থনৈতিক মহামন্দার আঘাত,

(৬) জাতিসংঘের ব্যর্থতা

প্রভৃতি কারণে ইউরোপের অনেক দেশে গণতন্ত্রের বিপর্যয় এবং একনায়কতন্ত্রের উত্থান হয় (যেমন জার্মানি, ইতালি প্রভৃতি দেশ)।

(৬) আন্তর্জাতিকতাবাদের প্রসার — জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠা: প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পরবর্তীকালে ইউরোপ তথা সারা বিশ্বে আন্তর্জাতিকতাবাদের প্রসার ঘটে । এই সময়কালে আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তাবিধানের জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসনের উদ্ভাবিত ‘চোদ্দোদফা নীতি’-র ওপর ভিত্তি করে ‘লিগ অফ নেশনস’ বা জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠা হয় । বিশ্বের প্রতিটি দেশ যাতে আন্তর্জাতিক আইন, বিধি নিষেধ ও চুক্তি মেনে চলে সে ব্যাপারে লক্ষ রাখাই ছিল এই সংস্থা প্রতিষ্ঠার মুখ্য উদ্দেশ্য।

♦প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর ভারতে নানা পরিবর্তন:

(১) ভারতীয় অর্থনীতিতে বিরূপ প্রভাব—অর্থনৈতিক সংকট: প্রথম বিশ্বযুদ্ধের ফলে ভারতে গভীর অর্থনৈতিক সংকট দেখা দেয়। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় প্রয়জনিয় সব জিনিসপত্রের দাম খুব বেড়ে যায়। যুদ্ধের পর দেখা দেয় অর্থনৈতিক মন্দা । বিদেশি জিনিসপত্রের আমদানি আবার শুরু হয় ও ভারতীয় শিল্পজাত জিনিসপত্রের ওপর চড়া হারে শুল্ক ধার্য হয়, ফলে ভারতের শিল্পসংস্থাগুলির বেশিরভাগই লোকসান সামলাতে না পেরে বন্ধ হয়ে যায় । এর ফলে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পরবর্তীকালে-

(ক) ভারতে অসংখ্য শিল্প-শ্রমিক ও মজুর বেকার হয়ে পড়ে ।

(খ) কৃষিজমির ওপর খাজনার হার বেড়ে যাওয়ায় কৃষকদের দারিদ্র চরমে ওঠে।

(গ) যুদ্ধ শেষ হলে ভারতীয় সেনা ও সামরিক কর্মচারীদের বেশির ভাগই ছাঁটাই হয়ে বেকারে পরিণত হয়।

২) ভারতবাসীর হতাশা ও অসন্তোষ: প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় ভারত ছিল ব্রিটেনের শক্তির প্রধান উৎস। যুদ্ধের পর রাজনৈতিক সুযোগসুবিধা আদায় করা সহজ হবে — এই আশায় ভারতের জাতীয়তাবাদী নেতারা ব্রিটেনকে সবরকমভাবে সাহায্য করেছিলেন। কিন্তু প্রথম বিশ্বযুদ্ধে জয়ী হয়ে ব্রিটেন সেই প্রতিশ্রুতি পালনে মোটেই উৎসাহী হয়নি, ফলে এশিয়া ও আফ্রিকার অন্যান্য পরাধিন জাতিগুলির মতো ভারতবাসীদের মনেও হতাশা ও ক্ষোভ দেখা দেয়।

৩) ১৯১৯ খ্রিস্টাব্দের ভারত শাসন আইন (মন্টেগু-চেমস্‌ফোর্ড শাসন সংস্কার): প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পরবর্তীকালে ভারতবাসীদের খুশি করার উদ্দেশ্যে ১৯১৯ খ্রিস্টাব্দের ভারত শাসন আইন পাস করা হয় । কিন্তু এই আইনে ভারতকে স্বায়ত্ত্বশাসন প্রদান করার কোনো উল্লেখ না থাকায় এই আইন ভারতীয়দের সন্তুষ্ট করতে পারেনি।

৪) ভারতীয় মুসলমান সমাজের ক্ষোভ— খিলাফৎ আন্দোলন: তুরস্ক সাম্রাজ্যের প্রধান ছিলেন খলিফা । প্রথম বিশ্বযুদ্ধে জার্মানির পক্ষ অবলম্বন করার অপরাধে ব্রিটেন তথা মিত্রশক্তি খলিফাকে তাঁর পদ থেকে অপসারণ করে এবং তুরস্ক সাম্রাজ্যের বিচ্ছেদ ঘটায় । তুরস্কের সুলতানের অবমাননার প্রতিবাদে বিংশ শতাব্দীর প্রথম পর্বে ভারতীয় মুসলমানরা যে ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন শুরু করে তা খিলাফৎ আন্দোলন নামে পরিচিত । তুরস্কের খলিফাকে তাঁর পদে ফিরিয়ে দেওয়ার দাবিকে কেন্দ্র করে ভারতবর্ষে খিলাফৎ আন্দোলন প্রবল আকার ধারণ করে । ইতিমধ্যে ১৯২২ খ্রিস্টাব্দে মুস্তাফা কামাল তুরস্কে খলিফাতন্ত্রের অবসান ঘটালে ভারতে খিলাফৎ আন্দোলন অপ্রাসঙ্গিক হয়ে পড়ায় এই আন্দোলন প্রত্যাহার করা হয়।

প্রশ্ন: (৫) খিলাফৎ আন্দোলন কী ? এই আন্দোলনের দুজন নেতার নাম কর । এই আন্দোলনের লক্ষ্য কী ছিল ?

উত্তর: তুরস্কের সুলতানের অবমাননার প্রতিবাদে বিংশ শতাব্দীর প্রথম পর্বে ভারতীয় মুসলিমরা যে ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন শুরু করে, তা খিলাফৎ আন্দোলন নামে পরিচিত।

খিলাফৎ আন্দোলনের দুই জন নেতার নাম মহম্মদ আলি জিন্নাসওকত আলি

খিলাফৎ আন্দোলনের লক্ষ্য ছিল—

১) তুরস্কের সুলতানকে মুসলিম দুনিয়ার ‘খলিফা’ পদে পুনর্বহাল করা ।

২) মুসলিম রাষ্ট্রগুলোর স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অক্ষুন্ন রাখা ।

৩) হিন্দু-মুসলিম ঐক্য স্থাপন ।

৪) ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন গড়ে তোলা ।

৫) সরকার প্রদত্ত উপাধি ও খেতাব প্রত্যাখ্যান করা ।

৬) সরকারি খাজনা ও কর প্রদান করতে অস্বীকার করা ।

****

Related Items

অধ্যায়ভিত্তিক প্রশ্নোত্তর:[দশম অধ্যায়- ২য় অংশ]

প্রশ্ন:- (৮) ঠান্ডা লড়াই কথাটি সর্বপ্রথম কে জনপ্রিয় করে তোলেন ? কোন দুটি দেশ ঠান্ডা লড়াইয়ের প্রধান দুই প্রতিপক্ষ ছিলেন ?

অধ্যায়ভিত্তিক প্রশ্নোত্তর:[নবম অধ্যায়- ২য় অংশ]

প্রশ্ন:- (৮) রাজ্যসভার সভাপতিত্ব করেন কে ? এই সভার সদস্য সংখ্যা কত ? লোকসভার গঠন ও কার্যাবলি সংক্ষেপে বর্ণনা করো ।

উত্তর: রাজ্যসভার সভাপতিত্ব করেন উপরাষ্ট্রপতি । এই রাজ্যসভার সদস্য সংখ্যা হল ২৫০ জন ।

অধ্যায়ভিত্তিক প্রশ্নোত্তর:[অষ্টম অধ্যায়- ৫ম: অংশ]

প্রশ্ন:- (২৯) দ্বিজাতি তত্ত্বের প্রথম প্রবক্তা কে ছিলেন ? স্বাধীনতা সংগ্রামের শেষ দিকে এই নীতি কীভাবে রাজনৈতিক ক্ষেত্রে অবনতি ঘটায় ?

উত্তর:- দ্বিজাতিতত্ত্বের প্রথম প্রবক্তা ছিলেন স্যার সৈয়দ আহম্মদ খাঁ

অধ্যায়ভিত্তিক প্রশ্নোত্তর:[অষ্টম অধ্যায়- ৪র্থ অংশ]

প্রশ্ন:- (২২) আজাদ হিন্দ ফৌজের বিচার কোথায় অনুষ্ঠিত হয় ? বিচারাধীন দুই জন আজাদ হিন্দ ফৌজের সেনাপতির নাম লেখ ।

অধ্যায়ভিত্তিক প্রশ্নোত্তর:[অষ্টম অধ্যায়- ২য় অংশ]

প্রশ্ন:- (৮) কীভাবে ভারতে কমিউনিস্ট পার্টি গঠিত হয় ?