☼ মৃত্তিকা:- ভু-ত্বকের ওপরের স্তরে অবস্থিত এবং সূক্ষ্ম শিলাখ্ন্ড দিয়ে গঠিত নরম ও শিথিল স্তরভাগকে মৃত্তিকা বা মাটি বলে । সূর্যতাপ, বৃষ্টিপাত, বায়ুপ্রবাহ, জলস্রোত প্রভৃতি প্রাকৃতিক শক্তির দ্বারা ভূত্বকের শিলা চূর্ণবিচূর্ণ ও ক্ষয়ীভূত হয়ে গাছপালা ও জীবজন্তুর দেহাবশেষের সঙ্গে মিশে মৃত্তিকায় পরিণত হয় । জলবায়ু, উদ্ভিদ ও শিলাস্তরের প্রকৃতির ওপর মাটির গঠন নির্ভর করে । তাই বিভিন্ন স্থানের মাটি বিভিন্ন রকমের হয় ।
☼ ভারতের মৃত্তিকা:- মাটির রং, বুনোন [Texture], খনিজ পদার্থ ও জৈব পদার্থের পরিমাণ জলধারণ ক্ষমতা প্রভৃতির তারতম্যের ওপর নির্ভর করে ভারতীয় কৃষি গবেষণা পরিষদ [Indian Agricultural Research Institute] ভারতের মাটিকে 27টি ভাগে ভাগ করেছেন । আলোচনার সুবিধার জন্য এদেশের মাটিকে সংক্ষেপে 11টি ভাগে ভাগ করা হয়েছে ।
(১) পলল মাটি বা পলিমাটি,
(২) কৃষ্ণ মৃত্তিকা বা রেগুর,
(৩) লাল মাটি,
(৪) ল্যাটেরাইট মাটি,
(৫) উপকূলের পলিমাটি,
(৬) বদ্বীপ অঞ্চলের মাটি,
(৭) মরু অঞ্চলের মাটি,
(৮) তরাই অঞ্চলের মাটি,
(৯) পার্বত্য অরণ্যের মাটি,
(১০) পার্বত্য তৃণভূমির মাটি,
(১১) হৈমবাহিক মাটি ।
***

