☼ ভারতের ভূপ্রকৃতি:- উত্তর ভারতের জম্মু-কাশ্মীর রাজ্যের উত্তর-পশ্চিম দিকে অবস্থিত পামীর গ্রন্থি থেকে বের হওয়া হিন্দুকুশ, সুলেমান, খিরথর কারাকোরাম, হিমালয় প্রভৃতি কয়েকটি উঁচু পর্বতশ্রেণী ভারতীয় উপমহাদেশকে এশিয়া মহাদেশের বাকি অংশ থেকে আলাদা করে রেখেছে ।
ভূপ্রকৃতিগত পার্থক্য অনুসারে ভারতকে ৭টি প্রধান ভৌগলিক অঞ্চলে ভাগ করা যায় । যথা:-
(১) উত্তরের বিশাল পার্বত্য অঞ্চল :- প্রায় নিরবিচ্ছিন্ন পর্বতশ্রেণি নিয়ে গড়ে ওঠা এই অঞ্চলটি পশ্চিমে কাশ্মীর থেকে পূর্বে অসম পর্যন্ত বিস্তৃত । প্রায় ২,৫০০ লিকমিতার দীর্ঘ এবং ১৬০ থেকে ৪৫০ কিলোমিটার চওড়া বিশাল এই পার্বত্য অঞ্চলটি ভারতের উতর সীমান্তকে প্রাচীরের মতো রক্ষা করেছে ।
◘ (ক) কারাকোরাম পর্বতশ্রেণি : এই পর্বতশ্রেণিটি পামীর মালভূমি থেকে পশ্চিমে সিন্ধু নদী পর্যন্ত প্রায় ৪০০ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য জুড়ে অবস্থান করছে । কারাকোরাম পর্বতশ্রেণিতে অনেকগুলো সুউচ্চ পর্বতশৃঙ্গ আছে । এই পর্বতশ্রেণির পশ্চিম অংশে অবস্থিত গডউইন অস্টিন বা K2 হল ভারতের সর্বোচ্চ এবং পৃথিবীর দ্বিতীয় উচ্চতম পর্বতশৃঙ্গ । গডউইন অস্টিন বা K2 এর উচ্চতা হল ৮৬১১ মিটার । মাউন্ট এভারেস্ট হল পৃথিবীর উচ্চতম পর্বতশৃঙ্গ, এর উচ্চতা ৮৮৪৮ মিটার । কারাকোরাম পর্বতে অনেকগুলো হিমবাহ দেখা যায় । এদের মধ্যে সিয়াচেন, বালটেরা, বিয়াফো, হিসপার প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য । সিয়াচেন ভারতের দীর্ঘতম হিমবাহ এর দৈর্ঘ্য ৭৬ কিমি. । বালটেরা হিমবাহের দৈর্ঘ্য ৬০ কিমি । বিয়াফো হিমবাহের দৈর্ঘ্য ৬০ কিমি এবং হিসপার হিমবাহের দৈর্ঘ্য ৬২ কিমি ।
(২) উত্তর-পূর্ব পাহাড়ি অঞ্চল ও মেঘালয় মালভূমি,
(৩) উত্তর ভারতের বিশাল সমভূমি অঞ্চল,
(৪) ভারতের বিশাল মালভূমি অঞ্চল,
(৫) ভারতীয় মরুভূমি,
(৬) উপকূলের সমভূমি এবং
(৭) বিভিন্ন দ্বীপসমূহ
***
